রাজধানীর ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউনে একটি কালি তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার ফাইটারসহ তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন ফায়ার ফাইটার নাঈম হোসেন, কারখানা শ্রমিক মো. সুজন ও বাবু। তাদের মধ্যে সুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
স্থানীয় ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আমুলিয়া মডেল টাউনের ওই কারখানায় কালি তৈরির কাজ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রিন্টিং মেশিনে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। কারখানায় দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
আগুন নেভানোর চেষ্টার সময় শ্রমিক সুজন ও বাবু দগ্ধ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে ফায়ার ফাইটার নাঈম হোসেনও দগ্ধ হন।
বার্ন ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, সুজনের শরীরের বড় অংশ পুড়ে গেছে। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ফায়ার ফাইটার নাঈমের পায়ে দগ্ধ হয়েছে এবং বাবুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।
ডেমরায় কারখানায় আগুনের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক
অগ্নিকাণ্ডের পর আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, কারখানায় রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
Source: AI, সময় নিউজ
Reviewed by Admin
on
April 28, 2026
Rating:


